প্রাচীনকাল হতে চিরতা মূলত ভেষজ চিকিৎসা ও চিকিৎসা সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। চিরতা বর্ষজীবি উদ্ভিদ। গাছটির গড় উচ্চতা প্রায় দেড় মিটার। গাছের পাতা কম—বেশি ১০ সে.মি. দীর্ঘ। ফুল বৃন্তহীন, জোড়ায় জোড়ায় বিপরীতমুখী হয়ে ফোটে। ফুল হালকা সবুজের সঙ্গে গোলাপী মেশানো প্রত্যেক পাপড়ি লতিতে এক জোড়া সবুজ গ্রন্থি থাকে। চিরতার স্বাদ তেতো হলেও এর রয়েছে নানান গুণ। রোগ নিরাময়ে চিরতার সমস্ত গাছই ব্যবহার করা হয়। তবে এর শিকড় সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস বলতে গেলে প্রকট আকার ধারন করছে। ছোট থেকে বয়স্ক সকল বয়সী মানুষের ডায়াবেটিস হতে পারে। বিশেষ করে মোথা বা স্থুলকায় ও বয়স্কদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। চিরতা রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে থাকে। চিরতা দেহে অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকে ত্বরান্বিত করে।
জ্বরের সময় কাজ দেয়
জ্বরের ক্ষেত্রেও চিরতা উপকারি। জ্বরের ফলে শরীরে এনার্জি না লাগা, জ্বর ভাব এগুলি দূর করতে চিরতা উপকারি ।
লিভারকে পরিষ্কার রাখে
আজকাল অনেকেই লিভারের সমস্যায় ভোগেন এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে চিরতা খুবই কার্যকরী । চিরতা লিভারকে পরিষ্কার রাখে। এছাড়া লিভারের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ফ্যাটি লিভার ও আরও অন্যান্য সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে।
শরীর ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে
চিরতা পরিষ্কারক হিসাবেও কাজ করে। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বার করে। শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে। যা যেটা শরীরকে সুস্থ রাখতে খুব জরুরি।
এ ছাড়া চিরতা রুচি বর্ধক, কৃমিনাশক, হৃদপিন্ড সবল কারক হিসাবেও কাজ করে
Reviews
There are no reviews yet.